বিদেশী শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা এবং সুষ্ঠু কর্মজীবনের জন্য অবশ্যই জানা দরকারী মূল বিষয়বস্তু।
১. ২০২৬ সালের সর্বনিম্ন মজুরি (অবশ্যই চেক করুন!)
সকল ব্যবসায়িক স্থাপনাকে নিম্নলিখিত পরিমাণের বেশি মজুরি দিতে হবে। (কার্যকর সময়কাল: ২০২৬. ১. ১. ~ ২০২৬. ১২. ৩১।)
বিভাগ | সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা কাজ (মাসে ২০৯ ঘণ্টা) | সপ্তাহে ৪৪ ঘণ্টা কাজ (মাসে ২২৬ ঘণ্টা) |
ঘণ্টায় মজুরি | ১০,৩২০ ওয়ান | - |
দৈনিক মজুরি (৮ ঘণ্টা) | ৮২,৫৬০ ওয়ান | - |
মাসিক মজুরি | ২,১৫৬,৮৮০ ওয়ান | ২,৩৩২,৩২০ ওয়ান (শুধুমাত্র ৫ জনের কম প্রযোজ্য) |
২. ব্যবসায়িক স্থাপনার আকারভিত্তিক কাজের শর্তাবলী
আমার কাজের জায়গায় কর্মচারীর সংখ্যার উপর ভিত্তি করে নিয়মগুলো ভিন্ন।
৫ জন বা তার বেশি কর্মচারীসহ ব্যবসায়িক স্থাপনা
কাজের সময় : দিনে ৮ ঘণ্টা, সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা বা তার কম (আলোচনার মাধ্যমে সপ্তাহে ১২ ঘণ্টা এক্সটেনশন সম্ভব)
বিরতির সময় : ৪ ঘণ্টা কাজ করলে ৩০ মিনিট, ৮ ঘণ্টা কাজ করলে ১ ঘণ্টা বা তার বেশি
ছুটির দিন : সপ্তাহে নিয়মিত কাজ করলে একদিনের পেইড ছুটি (পেইড সাপ্তাহিক ছুটি) প্রদান করা হবে
অতিরিক্ত ভাতা : এক্সট্রা ওভারটাইম বা রাত্রিকালীন কাজ (রাত ১০টা ~ সকাল ৬টা) করলে মূল মজুরির ৫০% অতিরিক্ত পাবেন।
৪ জন বা তার কম কর্মচারীসহ ব্যবসায়িক স্থাপনা
সর্বনিম্ন মজুরি একইভাবে প্রযোজ্য কিন্তু, এক্সটেনশন·রাত্রিকালীন ভাতা এবং বার্ষিক ছুটি নিয়ম প্রযোজ্য নাও হতে পারে।
তবে, অবসর সুবাদ এবং পেইড সাপ্তাহিক ছুটির ব্যবস্থা একইভাবে প্রযোজ্য।
৩. কৃষি-পশুপালন শিল্প এবং মৎস্য শ্রমিকদের বিশেষ বিষয়
এই শিল্পগুলোতে কাজের প্রকৃতির কারণে কাজের সময় নিয়ম কিছুটা ভিন্ন।
কাজ/বিরতি : মালিকের সাথে সমঝোতা করে কাজের সময় এবং বিরতির সময় স্বাধীনভাবে নির্ধারণ করা যায়।
খাবার এবং দুপুরের ঘুম : চুক্তিপত্রে খাবারের সময় বা দুপুরের ঘুমের সময় উল্লেখিত থাকলে সেই সময় কাজের সময় থেকে বাদ দেওয়া হবে।
নিশ্চিত অধিকার : মজুরি (সর্বনিম্ন মজুরির বেশি), বার্ষিক পেইড ছুটি, রাত্রিকালীন কাজের অতিরিক্ত মজুরি, অবসর সুবাদ সাধারণ ব্যবসায়িক স্থাপনার মতোই নিশ্চিত।
৪. শ্রমিক সুরক্ষা এবং সতর্কতা (গুরুত্বপূর্ণ!)
আবাসন-খাদ্য খরচ কাটা : মাসিক মজুরি থেকে হোস্টেল ভাড়া বা খাদ্য খরচ কাটার সময় অবশ্যই মাতৃভাষায় লেখা কাটতি সম্মতিপত্র তৈরি করতে হবে।
ব্যবসায়িক স্থাপনা মেনে চলা : শ্রম চুক্তিপত্রে উল্লেখিত স্থান ছাড়া অন্য জায়গায় কাজ করা অবৈধ।
চুক্তি লঙ্ঘন রিপোর্ট : প্রবেশের আগে প্রতিশ্রুত মজুরি না দেওয়া বা শ্রম আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে, কর্মপ্রদানের অনুমতি বাতিল হতে পারে এবং শ্রমিক সুরক্ষিত হবে।