
দেশে নতুন HIV সংক্রমিতদের সংখ্যা সামগ্রিকভাবে হ্রাসের প্রবণতায় রয়েছে যদিও, বিদেশি সংক্রমিতদের সংখ্যা উল্টোদিকে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে দেশে বসবাসরত বিদেশিদের বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।
রোগ নিয়ন্ত্রণ청 কর্তৃক ঘোষিত ২০২৪ সালের HIV/AIDS রিপোর্টিং অবস্থা অনুসারে, গত বছর নতুন রিপোর্ট করা HIV সংক্রমিত মোট ৯৭৫ জন যা গত বছরের তুলনায় সামান্য হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে বিদেশি সংক্রমিত ২৬১ জন (২৬.৮%) যা গত বছর (২৫৬ জন) থেকে বরং বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দেখা গেছে।
■ বিদেশি মহিলাদের সংক্রমণ অনুপাত বিশেষভাবে উচ্চ
মনোযোগ দেওয়ার বিষয় হলো লিঙ্গভিত্তিক বণ্টন। সামগ্রিক নতুন সংক্রমিতদের অধিকাংশ পুরুষ (৮৮.৭%) কিন্তু মহিলা সংক্রমিত ১১০ জনের মধ্যে ৭৯ জন (৭১.৮%) বিদেশি বলে নিশ্চিত হয়েছে। এটি বিদেশি কমিউনিটির মধ্যে মহিলারা HIV সংক্রমণের ঝুঁকিতে আরও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে তা নির্দেশ করে।
■ সংক্রমণ পথ ৯৯% ‘যৌনসম্পর্ক’… প্রতিরোধই মূল
মহামারী গবেষণায় অংশগ্রহণকারী দেশীয় কেসগুলো বিশ্লেষণ করলে, সংক্রমণ পথের ৯৯.৮% যৌন (性) সম্পর্কের মাধ্যমে হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জাতীয়তা নির্বিশেষে অসুরক্ষিত যৌনসম্পর্ক সংক্রমণের প্রধান কারণ হওয়ায়, কনডম ব্যবহারসহ প্রতিরোধ নিয়মাবলী পালনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে জোর দেন।
■ 'লক্ষণ না থাকলেও পরীক্ষা করাতে হবে'… নাম গোপনীয় পরীক্ষা নিশ্চিত
HIV সংক্রমণের প্রথম দিকে বিশেষ লক্ষণ না থাকার ক্ষেত্রে অনেক হয় তাই নিজেও না জেনে অন্যকে সংক্রমণের ঝুঁকি বড়। ভাগ্যক্রমে সাম্প্রতিক চিকিত্সা প্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে প্রথম দিকে শনাক্ত করে নিয়মিত চিকিত্সা করলে সংক্রমণ ক্ষমতা প্রায় হারায় এবং স্বাস্থ্যকর দৈনন্দিন জীবন সম্ভব।
বিদেশি সহায়তা কেন্দ্রের কর্মকর্তা 'ভাষাগত বাধা বা পরিচয় প্রকাশের ভয়ে পরীক্ষা এড়িয়ে যাওয়া বিদেশী অনেক' বলে, 'সারাদেশের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জাতীয়তা বা অবস্থান যোগ্যতা নির্বিশেষে বিনামূল্যে, চাইলে নাম গোপনীয়ভাবেও পরীক্ষা করা যায় তাই সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করুন' বলে অনুরোধ করেছেন।